দুষ্টু লোকেরা বলে, ‘টুকু আসে টুকু যায়’ : রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা কেমন তা সাধারণ মানুষ বোঝে। আর বিদ্যুৎ ও গ্যাস নিয়ে কী বলবো? বিদ্যুৎ নিয়ে দুষ্টু লোকেরা বলে, ‘টুকু আসে টুকু যায়’।
আজ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এসময় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিদ্যুৎমন্ত্রীর কড়া সমালোচনা করেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, মাননীয় স্পিকার আমার প্রশ্ন, মূল্যস্ফীতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠা প্রসঙ্গে। ১৮০ দিনের কার্যতালিকার মধ্যে এই সরকারের প্রথম তিনটি তালিকার মধ্যে একটি ছিল আইনশৃঙ্খলার উন্নতি, দুই নাম্বার ছিল দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণ ও তিন নম্বর ছিল জ্বালানী খাতের নিশ্চয়তা। তিনি বলেন, আমাদের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলতে গেলে, মুশকিল হলো আমাদের যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছেন, তিনি হয় ব্যঙ্গ করেন আর না হায় বাকচাতুর্য দিয়ে পুরো বিষয়টি ঢেকে দিতে চান। কিন্তু সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলতে গেলে জানা যায়, বাংলাদেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যেমন তিনজন মন্ত্রী আছেন এবং ৬৪ জেলায় ৬৪ জন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকলে কেবল মন্দ হতো না।
রুমিন ফারাহানা বলেন, মাননীয় স্পিকার জ্বালানী নিয়ে আর কী বলব? গ্যাস আর বিদ্যুতের ব্যাপারে মানুষ বলে। দুষ্টু লোকে বলে অবশ্য, ভালো লোক বলে না। ‘টুকু আসে টুকু যায়’। এই আসে-এই যায়’। কতক্ষণ থাকে তারা নাকি বুঝতে পারে না। তিনি বলেন, যখন তেলের দাম বাড়ছে এবং বিদ্যুৎ হাহাকার ও গ্যাস যখন পাওয়া যাচ্ছে না। তখন এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করবে বলে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই সরকারের ছয় মাসের মধ্যে ৬২ হাজার লোক তাদের চাকুরী হারিয়েছে। আর ৯০০ এর মত কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আর নতুন কর্মসংস্থান আর কী তৈরি হবে? তবে মাননীয় স্পিকার তাদের চাকুরী কত দিন থাকে আল্লাহ মাবুদ জানে। বাজারে যখন মানুষ যায় ৮০ টাকার নিচে সবজি নাই। ডিমের দাম কয়েকদফা বেড়েছে। মিনিকেট চাউলের দামও বাড়ছে।