বাংলাদেশসহ ২০ দেশের বিশেষ ওষুধে শূন্য শুল্কের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
বাংলাদেশসহ ২০টি দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা নির্দিষ্ট ধরনের বিশেষায়িত ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানে শূন্য শুল্ক সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের ব্যুরো অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড সিকিউরিটি (বিআইএস) ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য শুল্ক সুবিধার আওতাভুক্ত দেশ ও অঞ্চলগুলোর তালিকা প্রকাশ করে।
এই সুবিধার আওতায় রয়েছে বিরল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ, নিউক্লিয়ার মেডিসিন, রক্তরস থেকে তৈরি চিকিৎসা, বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার ওষুধ, সেল ও জিন থেরাপি এবং অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেট। এ ছাড়া রাসায়নিক, জৈবিক, তেজস্ক্রিয় ও পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় ব্যবহৃত চিকিৎসা পণ্য এবং প্রাণীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু পণ্যও ছাড়ের আওতায় রয়েছে।
তবে এই শূন্য শুল্ক সুবিধা শর্তসাপেক্ষ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এপ্রিলে দেওয়া ঘোষণার ভিত্তিতে, কোনো পণ্য এমন দেশ বা অঞ্চল থেকে এলে যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কার্যকর বা ভবিষ্যতে কার্যকর হতে যাওয়া বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামো চুক্তি রয়েছে, অথবা যুক্তরাষ্ট্রের জরুরি স্বাস্থ্য চাহিদা পূরণে পণ্যটি প্রয়োজনীয় হলে শূন্য শুল্ক প্রযোজ্য হতে পারে।
বাংলাদেশের পাশাপাশি আর্জেন্টিনা, ভারত, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়াতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড ও লিশটেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং ভিয়েতনাম এ তালিকায় রয়েছে।
অন্যদিকে, নির্দিষ্ট শূন্য শুল্কের শ্রেণির বাইরে থাকা পেটেন্টযুক্ত ওষুধে ১০০ শতাংশ শুল্ক বহাল থাকবে, যদি সেগুলো অন্য কোনো শুল্ক সুবিধার আওতায় না পড়ে। তবে জেনেরিক ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদান এই শুল্কের আওতার বাইরে রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন স্থানান্তরের অনুমোদিত ব্যবস্থা করেছে এমন কোম্পানির ক্ষেত্রে ভিন্ন শুল্কনীতি প্রযোজ্য হতে পারে।
গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে এই শুল্কনীতি ঘোষণা করেন ট্রাম্প। নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির ক্ষেত্রে ৩১ জুলাই থেকে ১০০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হয়। অন্য কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে এই শুল্ক মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে।

