এক ডাবের দাম ২২০ টাকা, গরমে পুড়ছে পকেটও
তীব্র গরমে তৃষ্ণা মেটাতে ডাবের চাহিদা বেড়েছে রাজধানীতে। আর সেই বাড়তি চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দামও। কয়েক দিন আগেও ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হওয়া ছোট আকারের ডাব এখন কিনতে হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়। তুলনামূলক বড় ডাবের দাম উঠেছে ২১০ থেকে ২২০ টাকায়।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর ধানমন্ডি, লালবাগ, নিউমার্কেট ও এলিফ্যান্ট রোড এলাকার বিভিন্ন ডাবের দোকান ও ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
বিক্রেতারা বলছেন, বছরের এ সময়ে বাজারে ডাবের সরবরাহ তুলনামূলক কম। অন্যদিকে তীব্র গরমে চাহিদা বেড়েছে। ফলে পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে ডাব কিনতে হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।
নিউমার্কেট এলাকার এক ডাব বিক্রেতা বলেন, কয়েক দিন আগেও যে ডাব ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে, এখন তা ১৭০ থেকে ১৮০ টাকার নিচে বিক্রি করা কঠিন। কারণ আড়ত থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।
লালবাগ এলাকার বাসিন্দা মুক্তার হোসেন জানান, চিকিৎসকের পরামর্শে অসুস্থ বাবার জন্য নিয়মিত ডাব কিনতে হয়। দুই-তিন দিন আগে মাঝারি আকারের একটি ডাবের দাম ২০০ টাকা এবং বড় ডাবের দাম ২৫০ টাকা শুনে তিনি হতবাক হয়েছেন। আগে একই আকারের ডাব কিনতে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকার মধ্যে খরচ হতো বলে জানান তিনি।
ক্রেতাদের অভিযোগ, একটি ডাবের দাম ২০০ টাকার কাছাকাছি হলে সাধারণ মানুষের পক্ষে নিয়মিত তা কেনা কঠিন। তবে গরমের কারণে প্রয়োজন থাকায় অনেকেই বাড়তি দামেই ডাব কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
বিক্রেতাদের দাবি, পরিবহন খরচ, দোকান ভাড়া ও ডাব নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিসহ বিভিন্ন ব্যয় বিবেচনায় রেখেই দাম নির্ধারণ করা হচ্ছে। তারা বলছেন, বাজারে সরবরাহ বাড়লে ডাবের দাম কিছুটা কমতে পারে।
বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আকারভেদে ডাব বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ২২০ টাকায়। কোনো কোনো স্থানে বড় ও ভালো মানের ডাবের দাম এর চেয়েও বেশি চাওয়া হচ্ছে।

