জনতা ব্যাংকের সাবেক দুই চেয়ারম্যানসহ ১৮ পরিচালককে দুদকের তলব

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৫৯ অপরাহন, জানুয়রী ১৭, ২০২৬

অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ লোপাট এবং ২১৮ কোটি টাকা আয়কর আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে জনতা ব্যাংকের সাবেক দুই চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান ও ড. আবুল বারকাতসহ ১৮ জন পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সম্প্রতি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে সংস্থাটির অনুসন্ধান টিম জনতা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর পৃথক চিঠি পাঠিয়ে এই তলব জারি করে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, তলবকৃতদের আগামী ১৮ ও ২০ জানুয়ারি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হতে বলা হয়েছে।

১৮ জানুয়ারি যাদের তলব করা হয়েছে তারা হলেন-সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাত, পরিচালক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ, নজিবুল ইসলাম দিপু, এ এম দেবনাথ, সৈয়দ বজলুল করিম, অধ্যাপক মোহাম্মদ মইনউদ্দিন, মো. আবু নাসের, সঙ্গিতা আহমেদ, নিতাই চন্দ্র নাগ, এ কে এম কামরুল ইসলাম ও মো. মাহাবুবুর রহমান হিরন।

২০ জানুয়ারি তলব করা হয়েছে-সাবেক চেয়ারম্যান এস এম মাহফুজুর রহমান, পরিচালক অজিত কুমার পাল, মেশকাত আহমেদ চৌধুরী, কে এম শামসুল আলম, মুহাম্মদ আসাদ উল্লাহ, মো. জিয়া উদ্দিন আহমেদ ও মো. হেলাল উদ্দিনকে।

দুদক সূত্র জানায়, তলবকৃতদের মধ্যে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারকাতকে গত ১১ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। রিমান্ড শেষে বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। এ কারণে তাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

Nagad

অনুসন্ধানে গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবার লিমিটেডের চেয়ারম্যান শামীমা আতিকুল্লাহ খানসহ প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়টিও তদন্তাধীন রয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, শিল্প পরিবারটির ঋণ প্রথমে সোনালী ব্যাংকে থাকলেও ২০১২ সালে নিয়মিত অবস্থায় জনতা ব্যাংক ঋণটি কিনে নেয়। এরপর নতুন করে ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। বর্তমানে গ্রুপটির প্রায় ৮০০ কোটি টাকার ঋণ খেলাপি রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।